কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় অবৈধ স্থাপনা অপসারণ না করেই খাল খনন বা সংস্কার কার্যক্রম চলায় প্রকল্পের কার্যকারিতা ও টেকসইতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সরকারের শুষ্ক মৌসুমে কৃষি আবাদ সচল রাখা ও খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাড়ে চার কিলোমিটার (প্রায় ৪.৫ কিলোমিটার বা ১৪,৭৬৪ ফুট) খাল খনন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, প্রকল্পের আওতাধীন এলাকায় খালের দু’পাড়ে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা বহাল রেখেই কাজ চালানো হচ্ছে।
শনিবার দুপুরে কচুয়া পৌরসভার আনোয়ারা মেমোরিয়াল মেডিকেল সেন্টার সংলগ্ন প্রবাহমান খালে সরেজমিনে খনন কাজ চলতে দেখা যায়। একই সঙ্গে তালুকদার বাড়ির সামনের অংশেও সংস্কার কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, খালের পাশে অবৈধ দখল উচ্ছেদ না করায় খনন কার্যক্রমের বাস্তব সুফল পাওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, দখল উচ্ছেদ ছাড়া খাল খনন কার্যক্রম দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হবে না। পাশাপাশি খালের প্রস্থ নির্ধারণ ও সীমানা চিহ্নিতকরণের দাবিও জানান তারা।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, খালে পানির উপস্থিতি থাকায় মাটি অপসারণের পরিবর্তে পলিথিন ও দীর্ঘদিনের জমে থাকা বর্জ্য উঠে আসছে, যা কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
এ বিষয়ে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল বলেন, “এটি এ অর্থবছরের প্রকল্প নয়। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন একটি প্রকল্প। বিষয়টি সম্পর্কে আমি আগে জানতাম না, এখন জেনেছি। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অন্যদিকে এলজিইডির সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী মো. আব্দুল আলীম লিটনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের মতে, অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও পরিকল্পিত বাস্তবায়ন ছাড়া এ ধরনের খাল খনন প্রকল্পের কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন হবে।

