কুবি প্রতিনিধি
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রকাশিত ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে বিভিন্ন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ছয় শিক্ষার্থী।
পিএসসি প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, সারা দেশে মোট এক হাজার ৫২১ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এর মধ্যে এক হাজার ৩২০ জন বিভিন্ন ক্যাডারে এবং ২০১ জন নন-ক্যাডার পদে সুপারিশ পেয়েছেন।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপারিশপ্রাপ্তরা হলেন— শিক্ষা ক্যাডারে ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের পাপ্পু সরকার এবং অর্থনীতি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শারমিন বৃষ্টি। কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন ফার্মেসি বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের রনি দাস।
এছাড়া পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডারে আইন বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের কাজী নিহাল হাসনাইন, সাধারণ শিক্ষা (ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং) ক্যাডারে একই বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের আসগর আলী শামীম এবং বাংলাদেশ প্রশাসন ক্যাডারে গণিত বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের সাজিদ শান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত শারমিন বৃষ্টি বলেন, “৪৭তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হতে পেরে মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ। এ অর্জনের পেছনে আমার পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অবদান অপরিসীম। ভবিষ্যতে একজন সৎ, দক্ষ ও দায়িত্বশীল শিক্ষক হিসেবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করতে চাই।”
সাধারণ শিক্ষা (ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং) ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত আসগর আলী শামীম বলেন, “মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে এ সাফল্য অর্জন করেছি। এর আগে ৪৪তম বিসিএসের নন-ক্যাডারের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (এডি) পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলাম। আমি শুরু থেকেই তথাকথিত মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলাম না। ধৈর্য, অধ্যবসায় ও পরিকল্পিত প্রস্তুতির মাধ্যমে এই সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমার বাবা-মা, পরিবারের সদস্য, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দোয়া ও অনুপ্রেরণাই ছিল সবচেয়ে বড় শক্তি। কর্মজীবনে দেশের উচ্চশিক্ষার উন্নয়ন এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে চাই।”
শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত পাপ্পু সরকার বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই বিসিএস ক্যাডার হওয়ার লক্ষ্য ছিল। শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ। পরিবারের স্বপ্ন পূরণের পাশাপাশি শিক্ষা খাতকে আরও শক্তিশালী করতে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে চাই।”

