Nabadhara
ঢাকামঙ্গলবার , ৭ জুলাই ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কালাইয়ে খাল পুনঃখননে অনিয়মের অভিযোগ, শ্রমিকের তালিকায় স্বজন ও বিত্তবানদের নাম

জয়পুরহাট প্রতিনিধি
জুলাই ৭, ২০২৬ ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের তালোড়া-বাইগুনি খাল পুনঃখনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্প সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে নিম্নমানের কাজ, প্রকৃত দরিদ্র শ্রমিকদের বাদ দিয়ে স্বজন ও বিত্তবানদের শ্রমিক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে সরকারি অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ১০০ মিটার দৈর্ঘ্যের খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ গত ১৩ মে শুরু হয়ে ২৯ জুন শেষ হওয়ার কথা ছিল। প্রকল্পের প্রাক্কলন অনুযায়ী খালের ওপরের প্রস্থ ২০ ফুট (কিছু অংশে ১৫ ফুট), তলদেশের প্রস্থ ৮ ফুট এবং গভীরতা ৫ ফুট নির্ধারণ করা হয়।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, অধিকাংশ স্থানে নির্ধারিত পরিমাপ অনুযায়ী খনন করা হয়নি। কোথাও কোথাও খালের তলদেশ ৬ ফুটেরও কম রাখা হয়েছে এবং প্রায় ৫০০ মিটার এলাকায় কোনো খননের চিহ্ন নেই। এছাড়া দীর্ঘ অংশে কচুরিপানা অপসারণ না করায় পানি চলাচলেও বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি, প্রকল্পে ১২৫ জন শ্রমিকের নাম থাকলেও বাস্তবে কাজ করেছেন মাত্র ৫০ থেকে ৫৫ জন। তালিকায় প্রকৃত দরিদ্র শ্রমিকদের পরিবর্তে প্রকল্প সভাপতির স্বজন ও বিত্তবান ব্যক্তিদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শ্রমিক অভিযোগ করেন, তালিকাভুক্ত অনেকেই কাজ করেননি। তাদের নামে সরকারি অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। ফলে প্রকৃত শ্রমিকরা কাজ ও মজুরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

স্থানীয় বিএনপি নেতা ও তালোড়া-বাইগুনি গ্রামের বাসিন্দা ছুমির জালাল বলেন, “খালটি আগে ভালো অবস্থায় ছিল। যেভাবে খনন করা হয়েছে, তাতে কৃষকদের সমস্যাই বাড়বে। প্রশাসনের লোকজনও অনিয়ম দেখেও কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।”

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রকল্প সভাপতি ও ইউপি সদস্য আমজাদ হোসেন। তিনি বলেন, “প্রকল্পের কাজ শতভাগেরও বেশি হয়েছে। কোথাও কোথাও সিডিউলের চেয়েও বেশি খনন করা হয়েছে। কৃষকদের পানি নিষ্কাশনের সুবিধার কথা বিবেচনা করেই এভাবে কাজ করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে কালাই উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হাসিবুল ইসলাম বলেন, “প্রকল্পের সময় শেষ হলেও কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। সরেজমিনে পরিমাপ অনুযায়ী বিল পরিশোধ করা হবে। যেসব অংশে কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে, সেগুলো আগামী অর্থবছরে পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হবে। শ্রমিক তালিকায় স্বজন ও বিত্তবানদের নাম থাকার অভিযোগও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।