কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বুয়েট শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত শেষে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের উপস্থিতিতে বিএনপি ও ছাত্রদলের দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে তিন সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। তাঁদের মধ্যে স্টার নিউজের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি জহুরুল ইসলাম রয়েছেন।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা কবরস্থানে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শহীদ আবরার ফাহাদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত করতে সেখানে যান।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কবর জিয়ারত ও দোয়া শেষে প্রতিমন্ত্রী স্থান ত্যাগ করার সময় স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা উত্তেজনা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিকেরা হট্টগোলের ভিডিও ধারণ করতে গেলে কয়েকজন উত্তেজিত নেতাকর্মী তাঁদের ওপর চড়াও হন বলে অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিকদের দাবি, ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ মুছে ফেলারও চেষ্টা করা হয়। এতে বাধা দিলে স্টার নিউজের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি জহুরুল ইসলামসহ তিন সাংবাদিক শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত হন।
ঘটনার পর স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কুষ্টিয়ার সাংবাদিক নেতারা। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

