দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
রবীন্দ্র কুঠিবাড়িকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এ বিষয়ে যৌথভাবে সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কাজ করছে। রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত কুঠিবাড়ি বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ইতিহাসে অনন্য জায়গা দখল করে আছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
আজ শুক্রবার বিকেলে কুষ্টিয়ার শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অন্তর্ভুক্ত সকল দর্শনীয় স্থানগুলোকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বর্তমান সরকার কাজ করছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাঁচারি বাড়ি সংস্কার করা হয়েছে। এতেই বোঝা যায় এসব স্থাপনাগুলো প্রত্নতত্ত্ব দপ্তরের তদারকিতে আছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রত্যেক বছর প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, কুষ্টিয়া জেলার আলাদা বিশেষত্ব রয়েছে। লোকসঙ্গীতের মূল জায়গা লালনের আখড়াবাড়ী। লালন দর্শন দ্বারা সমকালীন কবি, সাহিত্যিকরা প্রভাবিত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া-১ দৌলতপুর আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা, কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেন, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন হাসান, পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন, অধ্যাপক ড. ওয়াকিল আহমেদসহ অন্যান্যরা। আলোচনা সভা শেষে মঞ্চে নাটক, নৃত্য ও রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন করেন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা।

