কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম জিলানী বলেছেন, “একটি আদর্শকে ধরে রাখার জন্য ১৭ বছর অমানসিক নির্যাতন সহ্য করেছি। ১৬৭টি মামলা মাথায় নিয়ে ঘুরেছি। বছরের পর বছর জেল খেটেছি, মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে নির্যাতিত হয়েছি, অথচ অপরাধ ছিল শুধু একটাই — আমি বিএনপি করতাম।”
শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার পল্লী উন্নয়ন একাডেমি হলরুমে অনুষ্ঠিত জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “দুই হাত বেঁধে আমাকে সারারাত ঝুলিয়ে পেটানো হতো। কাউকে কিছু বলতে পারতাম না, শুধু কাঁদতাম। সেই কান্না দেখার মতো কেউ ছিল না। আমি রাজনীতি করেছি, এটি কোনো অপরাধ নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকার। তাহলে কেন এভাবে আমাদের নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে?”
জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও বিএনপির আন্দোলনের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরে এস এম জিলানী আরও বলেন, “তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা হচ্ছে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। দেশে সত্যিকারের পরিবর্তন ও সংস্কারের সব দিক-নির্দেশনা রয়েছে এই ৩১ দফার মধ্যেই। আমাদের সকল নেতাকর্মীকে এই দিকনির্দেশনা মেনে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে।”
কোটালীপাড়া উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক সাবিনা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মীসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন গোপালগঞ্জ জেলা মহিলা দলের সভাপতি রওশনারা আক্তার রত্না।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার, পৌর বিএনপির সভাপতি ইউছুফ আলী দাড়িয়া, সাধারণ সম্পাদক ওলিউর রহমান হাওলাদার, এবং উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মান্নান শেখ।

