মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, খালিয়াজুড়ি (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
নেত্রকোনা জেলার হাওর অঞ্চল খালিয়াজুড়িতে (৩ রা মে ২০২৬) রোজ রবিবার সন্ধায় ৬’০০ টার সময় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ছয়জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা যায়, খালিয়াজুড়ি সদরের পুরান হাটির হেকিম মিয়ার ছেলে মোঃ শফিক মিয়া (৫০) অটোরিকশা চালক, সে ৩ রা মে রোজ রবিবার সকালে খালিয়াজুড়ি বাজার হতে গ্যাস সিলিন্ডার বোতল নিয়ে একই গ্রামের দীগল হাটির শুকুর মাহমুদের ছেলে মোঃ হাবুল মিয়ার (৬৫) বাড়িতে ভাড়া নিয়ে যায়। গ্যাস সিলিন্ডারের বোতল রেখে আসার সময়, অটোরিকশা ভাড়ার টাকা পরে দেওয়ার কথা বলায়, অটোরিকশা চালক মোঃ শফিক মিয়া তাদের সাথে কথা কাটাকাটি করিলে ঐ বাড়ির লোকজন শফিক মিয়াকে আসার পথে বাঁধা দেয় এবং তার সাথে মারামারি করে। পরে শফিক মিয়া বাড়িতে এসে উক্ত ঘটনা তাদের নিজস্ব লোকজনদের অবহিত করে।
ঐ দিন সন্ধ্যার সময় হাবুল মিয়া (৬৫) ও তার দুই ছেলে রুহুল আমিন (৩৪) ও শাকিল মিয়া (২৭) পাঙ্গাশিয়া হাওরে থেকে ধান কেটে বাড়িতে আসার পথে ভেড়িয়া খালী এলাকায় পৌছানোর পর, পথের মধ্যে, শফিক মিয়া ও তার লোকজন, হাবুল মিয়া গংদের উপর আক্রমণ করে।
দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়ে ঐ দিন সন্ধ্যায় উভয় পক্ষে অন্তত ছয় জন আহত হলে, হেকিম মিয়ার ছেলে মোঃ শফিক মিয়া (৫০) ও রফিক মিয়া (৫৫) এবং হাবুল মিয়ার ছেলে মোঃ আলামিন মিয়া (৩৫) কে খালিয়াজুড়ি উপজেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গুরুতর আহত অবস্থার কারণে উন্নত চিকিৎসার জন্য শুকুর মাহমুদের ছেলে মোঃ হাবুল মিয়া (৬৫) এবং তার দুই ছেলে মোঃ রুহুল আমিন (৩৪) এবং শাকিল মিয়া (২৭) কে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার জন্য পাঠানো হয়।
খালিয়াজুড়ি উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুবুর রহমান তালুকদার কেষ্টু বলেন, শফিক মিয়ার লোকজন পরিকল্পিত ভাবে রাস্তা আটক করে হাবুল মিয়া ও তার ছেলেদের উপর হামলা চালানো হয়। আমি উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি সুষ্ঠু ভাবে তদন্ত করে, দোষিদের আইনের আাওতায় এনে তাদের বিচার করার দাবি করছি।
খালিয়াজুড়ি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন বলেন, এস আই তাজুল ইসলাম তার পুলিশ বাহিনীর সদস্য নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছ এবং খালিয়াজুড়ি উপজেলায় সদর হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীদের খোঁজখবর নিয়েছে। এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।

