বকশীগঞ্জ(জামালপুর)প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল এলাকা থেকে বকশীগঞ্জ উপজেলায় আসেন নাসিমা আক্তার (২৫)। তার সাথে এসেছেন একই এলাকার ফাতেমা আক্তার (২২) ও ইয়াসমিন আক্তার (২০)। কিশোর বয়সেই অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে যান এই তিন নারী।
এরা তিন জনই বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নারীদের কাছ থেকে কৌশলে স্বর্ণের চেইন ও স্বর্ণের গয়না ছিনতাই ও চুরি করে থাকেন।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) মেরুরচর ইউনিয়নের খেওয়ারচর এলাকা থেকে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা এক নারীর গলা থেকে স্বর্ণের চেইন চুরির সময় হাতে নাতে ধরা পরে নাসিমা আক্তার সহ ওই তিন নারী। পরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয় তাদের।
এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামী রুহুল আমিন বাদী হয়ে দ্রæত বিচার আইনে চোর সিন্ডিকেটের সদস্যদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
পরে থানা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নিজেদের চোর সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়ির থাকার কথা জানান। তাদের নামে বিভিন্ন জেলায় একাধিক মামলাও রয়েছে।
আটককৃত চোর সিন্ডিকেটের তিন নারীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তাদের দেওয়া তথ্যমতে বুধবার রাতেই ময়মনসিংহের তারাকান্দা ও শম্ভুগঞ্জ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন থানা পুলিশ। ওই রাতের অভিযানে সাথী আক্তার নামে আরও এক নারীকে শম্ভুগঞ্জ এলাকা থেকে আটক করা হয়।
একই সঙ্গে চোর সিন্ডিকেটকে সহায়তাকারী সিএনজি চালক মোস্তাকিমকে ময়মনসিংহের তারাকান্দা এলাকা থেকে আটক করে থানা পুলিশ।
এরা সকলেই সহজ সরল মানুষের কাছ থেকে স্বর্ণের চেইন চুরি করে নিয়ে যায় মর্মে অভিযোগ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ আটককৃত ৫জনকে জামালপুর কোর্টে প্রেরণ করেন।
বকশীগঞ্জ থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এরা নারীদের কাছ থেকে কৌশলে স্বর্ণের চেইন ও গয়না চুরি করে নিয়ে যায়। দ্রুত বিচার আইনে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা রুজু হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক তাদেরই আইনের আওতায় আনা হবে।

