Nabadhara
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইতিহাস
  5. কৃষি
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলাধুলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. জাতীয়
  10. জামালপুর
  11. জেলার সংবাদ
  12. ঝালকাঠি
  13. ঝিনাইদহ
  14. ঢাকা বিভাগ
  15. তথ্যপ্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কুবিতে বাসের সিটে বসা নিয়ে জুনিয়রকে থাপ্পড়ের অভিযোগ, প্রক্টর অফিসে সমঝোতা

কুবি প্রতিনিধি
সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬ ৩:২৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

কুবি প্রতিনিধি

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বাসের সিটে বসাকে কেন্দ্র করে এক জুনিয়র শিক্ষার্থীকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে এক সিনিয়র শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। পরে উভয় পক্ষকে প্রক্টর অফিসে ডেকে নিয়ে আলোচনা করে বিষয়টি সমঝোতার মাধ্যমে মীমাংসা করা হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে কুমিল্লা শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় জড়িত শিক্ষার্থীরা হলেন—ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আরেফিন মেহেদী এবং লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবু বকর।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কুমিল্লা শহর থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার সময় বাসের সিটে বসাকে কেন্দ্র করে আরেফিন মেহেদী ও আবু বকরের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে ক্যাম্পাসে বাস থেকে নামার পর আরেফিন আবু বকরের পরিচয় জানতে চান। পরিচয় দেওয়ার পর তাকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ করেন আবু বকর।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় শিক্ষার্থীর বিভাগ ও হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক এলাকায় জড়ো হলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে আরেফিন নিজের ভুল বুঝতে পেরে আবু বকরের কাছে ক্ষমা চাইতে গেলে আবু বকরও তার কাছে ক্ষমা চান এবং তাকে ধাক্কা দেন বলে জানা যায়। এরপর পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে আরেফিনের হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী আবু বকরকে মারার জন্য তাড়া করলে তিনি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে বিজয়-২৪ হলে আশ্রয় নেন।

পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উভয় শিক্ষার্থীকে প্রক্টর অফিসে ডেকে নেয়। সেখানে দুই পক্ষের বক্তব্য ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কথা শোনার পর আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়।

আবু বকর বলেন, “আমি বাসের জানালার পাশে বসলে আরেফিন ভাই আমার পাশে এসে বসেন। তার বসতে অসুবিধা হওয়ায় তিনি আমাকে একটু সরে বসতে বলেন। আমি সরে বসে তাকে জায়গা করে দিই। বাস থেকে নামার পর তিনি আমার পরিচয় জানতে চাইলে আমি পরিচয় দিই। পরিচয় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি আমার কান বরাবর চড় মারেন। পরে তিনি আমার কাছে ক্ষমা চাইতে এলে আমিও ক্ষমা চেয়ে তাকে ধাক্কা দিই।”

অন্যদিকে আরেফিন মেহেদী বলেন, “বাসে ওঠার পর সিট ফাঁকা থাকায় আমি আবু বকরের পাশে বসি। তবে আবু বকর অতিরিক্ত জায়গা নিয়ে বসায় আমার বসতে অসুবিধা হচ্ছিল। এ সময় তাকে একটু সরে বসতে বললেও সে সরে বসেনি। পরে বাস থেকে নামার সময় আবু বকর আমাকে ধাক্কা দিয়ে বের হয়ে যান। এরপর বাস থেকে নেমে আমি তার পরিচয় জানতে চাই এবং তাকে একটি ধাক্কা দিই। পরে নিজের ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত হয়ে আবু বকরের কাছে ক্ষমা চাইতে গেলে সে আমাকে ধাক্কা দিয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়।”

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আবু বকর ছিদ্দিক মাসুম বলেন, “বাসে বসাকে কেন্দ্র করে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে লোক প্রশাসন বিভাগের এক শিক্ষার্থীর বিরোধ তৈরি হয়। আমরা উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য শুনে বিষয়টি সমাধান করেছি। উভয় পক্ষই সুষ্ঠুভাবে বিষয়টির সমাধানে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না করার কথাও তারা জানিয়েছেন।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।